***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

Showing posts with label vegetables. Show all posts
Showing posts with label vegetables. Show all posts

Wednesday, November 16, 2022

সজনে


সজনে

সজনে ডাঁটা, পাতা ও ফুল, তিনেরই উপকারিতা আছে।

সজনে ডাঁটা একটি মরসুমি ফল। আয়ুর্বেদে দু’ ধরনের সজনের উল্লেখ আছে -- লাল ও সবুজ সজনে। লাল সজনে এখন আর চোখে পড়ে না। সবুজ সজনে পাওয়া যায়। এখন বাণিজ্যিক ভাবে কেউ সজনে লাগায় না। চৈত্র মাসে মাত্র কিছু দিনের জন্য সজনে পাওয়া যায়। কারণ পরিকল্পিত ভাবে এ গাছ কেউ চাষ করে না। ডাল মাটিতে পুঁতে দিলে গাছ হয়। অথচ সজনের অনেক গুণ। সজনের পাতা, ফুল ও ছাল সবই উপকারী।

আয়ুর্বেদ মতে সজনে ক্ষুধা বাড়ায়, বলবীর্য বৃদ্ধি করে। এতে রয়েছে ক্ষার ও লবণ। সজনে পেটের অসুখে উপকারী এবং বাত ও শ্লেষ্মা সারে। গোদ ও গলগণ্ড হলে সজনে খেতে বলা হয়। সজনে চোখের জন্যও ভালো। পেটে গ্যাস উৎপন্নে বাধা দেয়। সজনে সব ধরনের ব্যথা, কাশি, নাক-মুখ থেকে রক্ত পড়া বা রক্তপিত্ত সারায় ও শরীরের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ দূর করে।

শরীরের কোনও জায়গা ফুলে গেলে বা কারও বাত হলে সজনে বেসনের সাথে খড়খড়ে করে রান্না করে খেলে উপকার হবে। সজনে পাতা সামান্য জল দিয়ে বেঁটে রস বের করে সকাল-বিকেল দু’ চামচ করে খাবেন। উচ্চ রক্তচাপ কমবে। সজনে পাতা বেঁটে টিউমারে লাগালে বসে যাবে। কুষ্ঠরোগের প্রাথমিক অবস্থায় সজনে বীজের তেল বেশ কিছু দিন লাগালে সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সজনের মূলের ছাল পিষে দাদ পরিষ্কার করে প্রলেপ দিলে দাদ ভালো হয়। সজনে পাতার ঝোল খেলে সর্দিজ্বর ভালো হয়। সজনে পাতা শাকের মতো রান্না করে বা ঝোল রান্না করে খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মুখে রুচি আসে।

সজনে ফুল শাকের মতো রান্না করে খেলে জলবসন্ত হয় না। এ ছাড়া সজনেও বসন্ত প্রতিষেধক। চোখে যদি পিচুটি পড়ে, ব্যথা হয় বা চোখ দিয়ে জল পড়ে তা হলে সজনে পাতা সেদ্ধ জল দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেললে সমস্যা চলে যায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ কি কি?

 


আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা  ও পুষ্টিগুণ কি কি?

১. পাকা আম আমাদের ত্বক কে সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। শুধু তাই নয়, এটি আমাদের ত্বকের ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম আমাদের ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. গাছপাকা আমে পর্যাপ্ত পরিমাণে খনিজ লবণের উপস্থিতিও রয়েছে । আমাদের শরীরের দাঁত, নখ, চুল ইত্যাদি মজবুত করার জন্য আমের খনিজ লবণ উপকারী ভূমিকা পালন করে।

৩. সাধারণত পাকা আম ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ফলে মুখের ও নাকের উপর জন্মানো ব্ল্যাকহেড দূর করতে অনেকাংশে সাহায্য করে। আপনি যদি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম পাকা আম খান তাহলে আপনার মুখের কালো দাগ দূর হবে।

৪. আমের উপকারিতা গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে আমের পুষ্টি উপাদান। পাকা আমের আঁশে কিছু উপাদান যেমন- ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ থাকায় তা হজমে সহায়তা করে থাকে। আমে আছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম এটা আমাদের শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৫. আমে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনোইডস উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ ও সবল রাখে।

৬. আমে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন- বি কমপ্লেক্স। এই ভিটামিন আমাদের শরীরের স্নায়ুগুলোতে অক্সিজেনের সরবরাহ সচল রাখতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরকে রাখে পুরোপুরি সতেজ। যার ফলে খুব দ্রুত ঘুম আসতে সাহায্য করে।

৭. আমে রয়েছে বেটাক্যারোটিন, ভিটামিন ই এবং সেলেনিয়াম। এসব উপাদান পরিমাণে পর্যাপ্ত থাকায় পাকা আম হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।আমাদের হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮. আপনি যদি প্রতিদিন এককাপ আম খেতে পারেন তাহলে এটি আপনার শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারবে। ভিটামিন ‘এ’ আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে।

৯. আমে প্রচুর পরিমাণে এসিড থাকে যেমন- টারটারিক এ্যাসিড, ম্যালিক এ্যাসিড ও সাইট্রিক এ্যাসিড যা আমাদের শরীরে অ্যালকালাই বা খার ধরে রাখতে সহায়তা করে অনেকাংশেই।

১০. আমের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্তন, লিউকেমিয়া, কোলন প্রোস্টেট ক্যান্সারের মত মারাত্মক ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে প্রয়োজনীয় এনজাইমও পাওয়া যায়।

১১. পাকা আম পটাশিয়ামসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি আমদের হার্টবিট ও রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। আমাদের হার্টবিটকে সচল রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২. পাকা আম আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কারে সহায়তা করে। আমের মধ্যে থাকা টারটারিক, ম্যালিক ও সাইট্রিক এ্যাসিড শরীরে অ্যালকোহল ধরে রাখতে সহায়তা করে।

১৩. আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন-সি এর পরিমাণ বেশি। যা আমাদের দাঁত ও হাড় গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১৪. আম আমাদের শরীরের ক্ষয়রোধ করে। প্রতিদিন আম খেলে দেহের ক্ষয়রোধ হয় এবং স্থূলতা কমিয়ে শারীরিক গঠনে ইতি বাচক ভূমিকা পালন করে।

১৫. শুধু তাই নয়, আমের ভেষজ গুণ আমাদের স্কিন ক্যান্সারসহ ভিভিন্ন জটিল রোগ থেকে রক্ষা করে।

১৬. আমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ সেই সাথে আরো আছে ফাইবার যা সিরাম কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টরল যেমন কম ঘনত্বের লাইপোপ্রটিন এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

অতএব বুঝতেই পারছেন আমের উপকারিতা অপরিসীম। আসছে আমের সিজন। অবশ্যই আপনি এবং আপনার পরিবারের সদস্যরা আম খাবেন। তবে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত আম খেতে হবে। বাজারের ফরমালিন যুক্ত আমের উপকারিতা থেকে অপকারিতাই বেশি। এই বিষয়ে সাবধান হবেন।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Friday, November 11, 2022

থানকুনি পাতার উপকারী গুন

 


থানকুনি আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম সেন্টালা আকিয়াটিকা। থানকুনি পাতা দেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। রোগ চিকিৎসার অঙ্গনে থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের  উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য হিসাবে এই পাতা সরাসরি খেলে রোগ নিরাময়ে যথার্থ  ভূমিকা রাখতে পারে। অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে টেয়া, মানকি, তিতুরা, থানকুনি, আদামনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, আদাগুনগুনি নামে ডাকা হয়।

উপকারিতা

জ্বর

থানকুনি পাতার রস ১ চামচ ও শিউলি পাতার রস ১ চামচ মিশিয়ে প্রতি দিন সকালে খেলে জ্বর সারে।

পেটের পীড়া

অল্প পরিমাণ আমগাছের ছাল, আনারসের কচি পাতা ১টি, কাঁচা হলুদের রস, ৪/৫ টি থানকুনি গাছ শিকড়সহ ভালো করে ধুয়ে একত্রে বেটে রস করে খালি পেটে খেলে পেটের পীড়া ভালো হয়। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা আরও বেশি কার্যকর।

পাঁচড়া রোধ

কাঁচা হলুদের রস চা চামচের ২ চামচ, থানকুনি পাতার রস ২/৩ চামচ একত্রে মিশিয়ে শরীরে মাখলে পাঁচড়া রোগ ভাল হয়।

গ্যাস্ট্রিক

আধ কেজি দুধে ১ পোয়া মিশ্রি ও আধা পোয়া থানকুনি পাতার রস একত্রে মিশিয়ে প্রতি দিন সকালে ১ সপ্তাহ খেলে গ্যাস্ট্রিক ভালো হয়।

হজমশক্তি বৃদ্ধি

বেগুন/পেঁপের সাথে থানকুনি পাতা মিশিয়ে শুক্তো রান্না করে প্রতি দিন ১ মাস খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়।

রক্ত দূষণ রোধে থানকুনি

প্রতি দিন সকালে খালি পেটে ৪ চা চামচ থানকুনি পাতার রস ও ১ চা চামচ মধু/ মিশিয়ে ৭ দিন খেলে রক্ত দূষণ ভালো হয়।

বাক স্ফুরণে

যে সব বাচচা কথা বলতে দেরি করে অথবা অস্পষ্ট, সে ক্ষেত্রে ১ চামচ করে থানকুনি পাতার রস গরম করে ঠান্ডা হলে ২০/২৫ ফোঁটা মধু মিশিয়ে ঠান্ডা দুধের সাথে কিছু দিন খাওয়ালে অসুবিধাটা সেরে যায়।

খুসখুসে কাশি

২ চামচ থানকুনির রস সামান্য চিনিসহ খেলে সঙ্গে সঙ্গে খুসখুসে কাশিতে উপকার পাওয়া যায়। ১ সপ্তাহ খেলে পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে।

আমাশয়


প্রতি দিন সকালে ৫/৭ টি থানকুনি পাতা চিবিয়ে ৭ দিন খেলে আমাশয় ভালো হয়। অথবা, থানকুনি পাতা বেঁটে পাতার রসের সাথে চিনি মিশিয়ে দু’ চামচ দিনে দু’ বার খেলে আমাশয় ভালো হয়।

পেট ব্যথা

থানকুনি পাতা বেঁটে গরম ভাতের সাথে খেলে পেট ব্যথা ভাল হয়।

লিভারের সমস্যা

প্রতি দিন সকালে থানকুনির রস ১ চামচ, ৫/৬ ফোঁটা হলুদের রস (বাচ্চাদের লিভারের দোষে) সামান্য চিনি ও মধুসহ ১ মাস খেলে লিভারের সমস্যা ভালো হয়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

রসুন || কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতা

 


রসুন সারায় এমন ১০টি অসুখ

১. প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক :

রসুনে থাকা ভিটামিন ‘সি’র কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। কেননা এই ভিটামিন স্কার্ভি রোগের প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে তা রক্তনালি নমনীয় রাখে।

২. রক্ত চলাচলে সহায়তা :

রসুনে ‘অ্যাজোইন’ নামক এক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। এ পদার্থ নির্বিঘেœ রক্ত চলাচলে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। একই সঙ্গে রক্তের কোলেস্টরেল কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

৩. হরমোন নিঃসরণ :

রসুনে থাকা সালফার আমাদের শরীরের নানা হরমোন নিঃসরণ করতে সহায়তা করে।

৪. হৃদরোগজনিত সমস্যা :

হৃদজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভীষণ কার্যকর এ ভেষজ। ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণিত, এটি উচ্চ রক্তচাপও কমিয়ে দেয়।

৫. রোগজীবাণু ধ্বংস :

রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ পদার্থ ক্ষত সারাতে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া পদার্থটি যক্ষা, আমাশয়, টাইফয়েড প্রভৃতির রোগজীবাণু ধ্বংস করে।

৬. ঠান্ডা কমায় :

ঠান্ডা লাগা, গলা বসে যাওয়া কিংবা গলাব্যথা, মাথাব্যথা, গেঁটে বাত, হাঁপানি, ব্রংকাইটিসের সমস্যায় রসুন চিবিয়ে খেলে এ ধরণের সমস্যাগুলো একেবারেই থাকে না।

৭. ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে :


ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী মসলা এই রসুন। এটি ব্লাড সুগার কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৮. হজমের সমস্যা দূর করে :

লিভারের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং হজমের সমস্যা দূর করে এ ঔষধি। অ্যালার্জি সারিয়ে তুলতে এর ভূমিকা সুবিদিত।

৯. ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে আনে :

অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন ফুড পয়জনিং নিবারণ করে এ মসলা।

১০. পুরুষের সুস্থ স্পার্ম তৈরি :


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন। কেননা সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

হলুদ || কাচা হলুদ এর উপকারিতা || কাঁচা হলুদ || black turmeric || turmeric

 


হলুদের অপর নাম বর্ণবতী। বলবর্ধক, রক্তপরিষ্কারক, পিত্তনাশক, দাহ-নিবারক ইত্যাদি উপকারের কারণে হলুদ বিভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন কাঞ্চনী, পীত, বরবর্ণিলী, যোষিৎপ্রিয়া ও বর্ণবিধায়িনী। এতে আছে কফ, বাত, পিত্ত, ব্রণ, চর্মরোগ, শোথ, পাণ্ডু, কৃমি, প্রমেহ, অরুচি, উদরী ও বিষদোষ প্রশমন করার ক্ষমতা। প্রাচীনকাল থেকে এটি ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এটি ভারতবর্ষে আয়ুর্বেদ ও হেকমিতে ব্যবহৃত। এটি ভেষজ ছাড়াও বর্ণ, রুচি ও দীপ্তির জন্য উপকারী হিসেবে চিহ্নিত। এর ভেষজ ব্যবহারগুলি হল :

পেটের বায়ু ও পুরনো ডায়েরিয়া

পেটে গ্যাস হলে ও পুরনো ডায়েরিয়ায় হলুদের গুঁড়ো বা রস জল সহ খেলে খুবই উপকার হয়।

পেটে ব্যাথা:

পেটের সংক্রমণ রোধে হলুদ খুবই কার্যকর। মাখন বা দুধের সাথে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে উপকার মেলে।

কৃমি:

কাঁচা হলুদের রস ১৫-২০ ফোঁটা (বয়সানুপাতে) সামান্য লবণ মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হয়। কৃমি দমনে কার্যকর ওষুধ, তাই একে কৃমিঘ বা কৃমিনাশকারীও বলে।

লিভারের দোষ:

পাণ্ডু রোগে (জন্ডিস) গায়ের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে আসছে বুঝতে পারলে হলুদের রস ৫ থেকে ১০ ফোঁটা থেকে শুরু করে বয়সানুপাতে ১ চা চামচ পর্যন্ত একটু চিনি বা মধু মিশিয়ে খাওয়ার ব্যবস্থা বহু আগে থেকে চলে আসছে। আবার একটু হলুদ গুঁড়ো তার দ্বিগুণ পরিমাণ দইয়ে মিশিয়ে খেলে পিলে ও যকৃতের দোষ এবং জন্ডিস সারে। মধু সহ হলুদ খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

তোতলামি:

ছোটবেলায় যাদের কথা আটকে যায় বা স্বাভাবিক ভাবে তাড়াতাড়ি কথা বলার অভ্যাস, সে ক্ষেত্রে হলুদ গুঁড়ো করে (কাঁচা হলুদ শুকিয়ে গুঁড়ো করতে হবে) তা দুই-তিন গ্রাম পরিমাণে এক চা চামচ ঘিয়ে একটু ভেজে সেটাকে দুই-তিনবার চেটে চেটে খাওয়াতে হয়। এতে তোতলামি কমে যায়।

হামজ্বর:

ক) এই জ্বরে কাঁচা হলুদ শুকিয়ে গুঁড়ো করে সাথে করলা পাতার রস ও অল্প মধু মিশিয়ে খাওয়ালে তা সারে।

খ) হলুদের শিকড় রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে এক চা চামচ মধু ও করলা পাতার রস মিশিয়ে খেলে হাম সারে।

পুরনো ঘুসঘুসে জ্বর, কোষ্ঠবদ্ধতা, হজমে দুর্বলতা, পুরনো কাশি

মধু মিশিয়ে হলুদের গুঁড়ো খেলে এ সব রোগে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

এলার্জি:

খাদ্য বিশেষে অনেকের দেহ চাকা চাকা হয়ে ফুলে ওঠে, চুলকায়, লাল হয়ে যায় তাকে চট্টগ্রামে পিঁড়ি বাত বলে। এ ক্ষেত্রে নিমপাতার গুঁড়ো এক ভাগ, কাঁচা হলুদ শুকিয়ে গুঁড়ো করে সেটা দুই ভাগ ও শুকনো আমলকীর গুঁড়ো তিন ভাগ এক সঙ্গে মিশিয়ে এক গ্রাম হারে তা সকালে খালি পেটে বেশ কিছু দিন খেতে হয়।

কফ, সর্দি ও ঠান্ডা লাগা:

দুধে হলুদ সিদ্ধ করে বেঁটে চিনি মিশিয়ে খেলে সর্দি সারে। পুরনো কফ রোগ, গলা ফোলা ও গলা জ্বালায় আধা চা-চামচ হলুদের গুঁড়ো ৩০ মিলি গরম দুধে মিশিয়ে খেলে খুবই উপকার হয়। এতে বড় চামচে দুধ ঢেলে তাতে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে অল্প আঁচে উৎরিয়ে নিতে হয়।

কাশি:

খুব বেশি কাশির ঝোঁক হলে এক কাপ ঈষৎ উষ্ণ জলে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করলে কাশির উপশম হয়।

সর্দিজ্বর:

গরম দুধে হলুদ গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সর্দিজ্বর কমে।

ফোঁড়া:

পোড়া হলুদের ছাই জলে গুলে লাগালে ফোঁড়া পাকে ও ফেটে যায়; আবার গুঁড়ো লাগালে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

নিম গাছের ঔষধি গুন || নিম পাতার উপকারিতা

 


 নিম (বৈজ্ঞানিক নাম: Azadirachta indica) একটি ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস সবই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বহুবিধ কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। আকৃতিতে ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। এর কাণ্ডের ব্যাস ২০-৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। এর ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্রই নিম গাছ পাওয়া যায়। এই গাছ প্রাপ্তবয়স্ক হতে সময় নেয় ১০ বছর। নিম গাছ সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়া প্রধান অঞ্চলে ভালো হয়।


নিমের কিছু ব্যবহারিক উপকারিতা:

কফজনিত বুকের ব্যথা:

অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রস সামান্য গরম জলে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এই ওষুধটি নিষিদ্ধ।

 


কৃমি:

পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুঁড়ো দিনে ৩ বার সামান্য গরম জল সহ খেতে হবে।

উকুন নাশ:


নিমের পাতা বেঁটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘণ্টা খানেক পরে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এ ভাবে লাগালে উকুন মরে যাবে।

অজীর্ণ:

অনেক দিন ধরে পেটে অসুখ। পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, সিকি কাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।

খোস পাঁচড়া:

নিম পাতা সিদ্ধ করে জল দিয়ে চান করলে খোস পাঁচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েক দিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।

পোকামাকড়ের কামড়:

পোকামাকড় কামড় দিলে বা হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেঁটে ক্ষতস্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।

দাঁতের রোগ:

নিমের পাতা ও ছালের গুঁড়ো কিংবা নিমের ছাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত হবে মজবুত।

জন্ডিস:

বাচ্চাদের জন্য ৫-১১ ফোঁটা, বয়স্কদের জন্য ১ চামচ রস একটু মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে প্রতি দিন সকালে।

ডায়াবেটিস রোগ:
৫টি গোলমরিচের সঙ্গে ১০টি নিম পাতা একত্রে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, 🙏🙏🙏🙏 খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


উচ্ছে || উচ্ছের উপকারিতা || উচ্ছে খাওয়ার উপকারিতা || bitter gourd

 


উচ্ছেকে বলা হয় সর্বরোগের মহৌষধ। প্রাচীনকাল থেকে এ অঞ্চলে উচ্ছে বা করলা খাওয়ার চল রয়েছে। উচ্ছেসেদ্ধ রক্তচাপ ও চর্বি কমায়। উচ্ছের তেতো রস কৃমিনাশক। দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে উচ্ছে। এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে উচ্ছে বা করলা। এবার জেনে নেওয়া যাক উচ্ছের আরও কিছু গুণাগুণ।

রক্তশূন্যতায় উচ্ছে

 
রক্তশূন্যতায় উত্তম পথ্য হিসেবে কাজ করে উচ্ছে। এটি শরীরের রক্ত বাড়ায়। উচ্ছে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় ও রক্ত পরিষ্কার করে।

লিভার ভালো রাখে
উচ্ছের রস লিভার পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। এই রস বিষাক্ত রক্তকে পরিষ্কার করে, রক্তের চলাচলকে সহজ করে ও গেঁটে বাতের ব্যথা উপশম করে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন এক গ্লাস করলার রস পান করলে লিভারের যে কোনো সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে
করলার বিশেষ উপাদানসমূহ রক্তকে দূষিত উপাদানমুক্ত রাখে। নিয়মিত করলার রস পানে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

চোখের যত্নে
উচ্ছেতে রয়েছে উচ্চমাত্রার বেটা-ক্যারোটিন। তাই চোখের যে কোনো সমস্যা সমাধানে ও চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে এই উচ্ছে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


ঘৃতকুমারী || ঘৃতকুমারীর উপকারিতা

 


ঘৃতকুমারী

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ ওষধি গাছ। অ্যালোভেরা গাছের গোড়া থেকেই সবুজ রঙের পাতা হয় এবং পাতাগুলো পুরু ধরনের হয় যার দুই পাশেই করাতের মতো ছোট ছোট কাঁটা থাকে। পাতার ভেতরে স্বচ্ছ পিচ্ছিল ধরনের শাঁস থাকে যাকে অ্যালোভেরা জেল বলা হয়। এই গাছের পাতা থেকেই নতুন গাছ জন্মায়।

ভেষজ গুণ

অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিএইজিং উপাদান যা ত্বকের সুরক্ষায় বিশেষ ভাবে কার্যকর। প্রতি দিন ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত পান করলে দেহের ভেতর থেকে ত্বকের নানা সমস্যা যেমন ব্রন, ইনফেকশন এমনকী ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ ছাড়াও অ্যালোভেরার রস সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করলে ব্রন এবং ব্রনের দাগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

ত্বকের পাশাপাশি অ্যালোভেরা চুলের জন্যও বেশ ভালো একটি উপকারী উপাদান। প্রতি দিন মাত্র ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত চুলের নানা সমস্যা থেকে রেহাই দেবে। চুল পড়া, চুলের আগা ফাটা এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার সমাধান করে অ্যালোভেরা। এ ছাড়াও অ্যালোভেরার রস সরাসরি তেলের সাথে মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন।

অ্যালোভেরার রস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। প্রতি দিন ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত দেহের সাদা রক্তকণিকা বাড়ায় যা রোগ প্রতিরোধে বিশেষভাবে কার্যকর।

অ্যালোভেরার রস রক্তের সাথে মিশে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে আমাদের দেহের শিরা উপশিরায় অক্সিজেন সম্বলিত রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায় এবং তা আমাদের হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

অনেকেই হজমের নানা সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাদের জন্য অ্যালোভেরার শরবত মহৌষধ হিসেবে কাজ করে থাকে। অ্যালোভেরার একটি বিশেষ গুণ হল এটি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়েরিয়াজনিত সমস্যার সমাধান করতে পারে। অ্যালোভেরা শুধুমাত্র হজম শক্তিই উন্নত করে না, এর পাশাপাশি পেটের নানা সমস্যার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করতে সহায়তা করে।



আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Thursday, November 10, 2022

পাকা কলার গুণাগুণ || পাকা কলার উপকারিতা || পাকা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

 


পাকা কলার গুণাগুণ আমরা সবাই কমবেশি জানলেও কাঁচা কলা সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি।কাঁচা কলা সবজি হিসেবেই পরিচিত। অনেকে আবার কাঁচকলা নামেও ডাকে। এটি সহজলভ্য একটি সবজি। বার মাসই কম বেশি বাজারে পাওয়া যায়। দাম কিন্তু একদমই কম নয়।

চিকিৎসকরাও অনেক সময় কাঁচা কলা খাবার উপদেশ দিয়ে থাকেন। কাঁচা কলায় রয়েছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি৬ ও ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফেট। এতে কার্বোহাইড্রেট কমপ্লেক্স স্টার্চ হিসেবে থাকে। কাঁচা কলার ভিটামিন বি-৬ রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহন করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি-৪ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এই জন্য রোগীর পথ্য হিসেবে কাঁচা কলা বেশ পরিচিত।

জেনে নেই কাঁচা কলার উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ :

ওজন হ্রাস করে: কাঁচা কলার ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। যারা ওজন কমাতে চান, তাদের খাদ্য তালিকায় রাখুন কাঁচা কলা।

শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে: কাঁচা কলা আঁশযুক্ত হওয়ায় রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি৬ গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

হজমে সাহায্য করে: কাঁচা কলা পেটের ভিতরে খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। তাছাড়া কাঁচা কলায় থাকা এনজাইম ডায়রিয়া এবং পেটের নানা ইনফেকশন দূর করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: কাঁচা কলায় প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে। এই পটাশিয়াম হৃদরোগে উপকারী। তাই নিয়মিত কাঁচা কলা খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: কাঁচা কলা কোলন থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু এবং ইনফেকশন দূর করে কোলনকে সুস্থ রাখে।

এছাড়া কাঁচকলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস দেহের হাড় মজবুত এবং হাড় ক্ষয় থেকে রক্ষা করে। শরীরের জন্য অতি উপকারি এই সবজিটি রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

ফুলকপি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ || ফুলকপির পুষ্টিগুণ || cauliflower || cauliflower benefits

 


 ফুলকপি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর সবজিগুলোর একটি। ফুলকপিতে পানি থাকে ৮৫% , অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। কম ক্যালোরির এই সবজিতে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্য ফাইটোকেমিক্যালও থাকে। এই বহুমুখী গুণ সম্পন্ন সবজিটি কাঁচা, সেদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই শীতের সবজি ফুলকপির আরও পুষ্টিগুণ ও চমৎকার কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়ে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ:

ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। ফুলকপিতে থাকা সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। ফুলকপির সাথে হলুদ যোগ করে গ্রহণ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া পাকস্হলী, প্রোষ্টেট, স্তন ও ডিম্বাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে ফুলকপি।

মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়:

ফুলকপি মস্তিষ্ক ভালো রাখে, ফুলকপিতে ভিটামিন বি রয়েছে যা মস্তিষ্কের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। গর্ভাবস্থায় এ সবজি একটি ভালো খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ফুলকপি নবজাতকের মস্তিষ্কের উন্নতি সাধন করতে কাজ করে।

ফুসফুসকে রক্ষা করে:

ফুলকপি ফুসফুস রক্ষায় সহায়তা করে। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, ভয়াবহ ফুসফুস রোগের জন্য যেসব কারণ দায়ী তা প্রতিরোধে ফুলকপি সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। ডায়াবেটিসের কারণে রক্তনালীর যে ক্ষতি হয় সবজিটি তা প্রতিরোধেও সহায়তা করে। এছাড়া ফুলকপি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে:

ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে গ্লুকোসাইনোলেটস থাকে যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে।

প্রদাহ কমায়:

ফুলকপিতে ইন্ডোল ৩ কার্বিনোল বা I3C থাকে যা একটি অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান। এটি শক্তিশালী ইনফ্লামেটরি রিঅ্যাকশন প্রতিরোধ করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে:

শীতের সুস্বাদু সবজি ফুলকপির আরও একটি অন্যতম গুণের একটি হল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। যারা ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা ফুলকপি খাবারের তালিকায় রাখতে দ্বিধা করবেন না।

চোখকে ভালো রাখে:

ফুলকপিতে ভিটামিন এ-এর পরিমাণ বেশি থাকায় চোখকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এমনকি দেহের কোথাও কেটে গেলে ফুলকপির কচি পাতার রস লাগালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

হজমের উন্নতি ঘটায়:

ফুলকপি হজমে সাহায্য করে, ফাইবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হওয়ায় ফুলকপি হজমে সাহায্য করে। সবজিতে বিদ্যমান ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সুস্থ থাকতেও ভূমিকা রাখে।

বাড়তি ওজন কমাতে:

ফুলকপি শরীরের বাড়তি মেদ কমিয়ে শরীরকে একটি সুন্দর গঠনে আনতে সাহায্য করে। যারা তাদের শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তিত ও ডায়েটকরার কথা ভাবছেন তারা নির্দ্বিধায় ডায়েট লিস্টে ফুলকপির নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ
ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।

চুলকানি প্রতিরোধ করে:

ফুলকপি চুলকানি প্রতিরোধ করে, শীতকালে ঠাণ্ডায় ত্বকে লালচে হয়ে ফুলে যাওয়া এবং চুলকানি হতে পারে। সেক্ষেত্রে ফুলকপির কচি পাতা বেটে লাগালে চুলকানি ভালো হয়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

শাকের অনেক গুণ

 


শাকের অনেক গুণ, ভিন্ন ভিন্ন শাকের ভিন্ন ভিন্ন্ রকম। বৈদ্য শাস্ত্রে এক এক রকম শাকের এক এক রকম গুণ বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি শাক সুষনি থানকুনিকে রসায়ন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রসায়ন অর্থে শরীরে সপ্তধাতু – রস, রক্ত, মাংস, মেদ, মজ্জা্, অস্থি ও বীর্যের পোষক।

 

শাকে লবণ জাতীয় উপাদান ও ক্ষারজ পদার্থ(অ্যালকলি) বেশি পরিমাণে আছে। এগুলি হল ক্যালসিয়াম, সোডা ও ক্লোরিন প্রভৃতি। এ ছাড়া ও শাকে আছে প্রচুর ভিটামিন। কাজে কাজেই আমাদের রোজকার খাওয়ার সামান্য শাকান্ন বা শাক-ভাতের গুণ অশেষ।

 

বিভিন্ন শাকের নাম ও তার উপকারীতা দেওয়া হলো :

গিমে শাক :

জনডিস রোগে উপকারী, জ্বর, লিভারের অসুখ, পিত্ত ও কফ রোগ উপশম করে। এই শাক স্বাদে একটু তেতো। খেলে মুখের অরুচি সারে। বেগুন আলু দিয়ে চচ্চড়ি, বেসন বা ডাল বাটা দিয়ে এই শাকের বড়া খেতে ভাল লাগে।

ছোলার শাক :

রুচিকর, সহজে হজম হয় না, কফ ও বায়ু বৃদ্ধি করে, মল রোধ করে, পিত্ত ও দাঁতের রোগে উপকারী।

পাট পাতা :

কৃমি, কুষ্ঠ ও রক্তপিত্ত(নাক, মুখ থেকে রক্ত পড়া) নাশ করে। শুকনো পাতা যাতে নালিতা বা চলতি বাংলা নালতে বলা হয় বায়ু বৃদ্ধি করে কিন্তু জ্বর চর্মরোগ, কফ ও পিত্তের রোগ সারায়।

পুঁই শাক :

ঠাণ্ডা করে, স্নিগ্ধ করে, গুরুপাক, মল বহিষ্কার করে, মেদ বৃদ্ধি করে, খেয়ে হজম করলে মোটা হওয়া যায়, শরীরে আলস্য সৃষ্টি করে। এই শাক নালচে ভাব অর্থাৎ পিচ্ছিল। বল, পুষ্টি ও শুক্র বৃদ্ধি করে। খেলে ঘুম বেশি পায় নিদ্রাবর্ধক, বাতপিত্ত নাশ করে, শরীরের শ্লেষ্মা সৃষ্টি করে। পেটের অসুখ বা আমাশা হলে, শরীর ফুলে উঠলে বা শোথ রোগ হলে এবং বাত ব্যাধিতে পুঁই শাক খাওয়া উচিত নয়। পুঁই শাকের সঙ্গে তিল খাওয়া বা তিলের তেলে পুঁই শাক রান্না করা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক।

মুলোর শাক :

মুলোর কচি পাতা বা কচি মুলোর শাক লঘুপাক অর্থাৎ সহজে হজম হয়। তেলে বা ঘিয়ে ভেজে মুলোর শাক খেলে শরীরের ত্রিদোষ অর্থাৎ বাত, পিত্ত ও কফের দোষ নাশ হয়। কিন্তু ভাল করে সেদ্ধ না করে খেলে কফ ও পিত্ত বাড়িয়ে দেবে।

লাল শাক :

এতে ক্ষারের লবণ গুণ আছে, খুব তাড়াতাড়ি হজম না হলেও খুব গুরুপাক ও নয় অর্থাৎ অল্প গুরুপাক, মল ও প্রস্রাব নিঃসারণ করে, কফ বৃদ্ধি করে।

সর্ষের শাক :

গুরুপাক, মল ও মূত্র বৃদ্ধি করে, শরীরের পক্ষে গরম, শরীরে প্রদাহ জন্মায়। অন্য শাকের চেয়ে এই শাকের গুণ কম। পঞ্জাবিদের ‘সরষোঁ কা সাগ’ ব সর্ষের শাক এবং সেই সঙ্গে মকাই কি রোটি (ভুট্রার আটার রুটি) খুবই প্রিয়।

সাঞ্চে :

কফ ও বাত কমিয়ে দেয়। অর্শ ও লিভারের রোগে উপকারী। এর স্বাদ মিষ্টি মিষ্টি। এই শাকের ভাজা ও তরকারি খুবই স্বাদযুক্ত। সাধারণত গ্রামাঞ্চলেই বেশি পাওয়া যায়।

মটর শাক :

গুরুপাক, মলকারক(খেলে মল বেশি হয়) বায়ুর প্রকোপ বৃদ্ধি করে। কফ ও পিত্ত নাশ করে।

বেতো শাক :

সহজে হজম হয়, খিদে বাড়ায়, হালকা অর্থাৎ লঘু, শুক্র ও মল বৃদ্ধি করে, মল নিষ্কাশন করে, লিভারের অসুখ রক্তপিত্ত নাক মুখ থেকে রক্ত পড়া, কৃমি, অর্শ, বাত, পিত্ত ও কফ অর্থাৎ ত্রিদো্ষ নাশ করে। বেতো শাককে হিন্দিতে বলা হয় ‘বাথুয়া’। টক দই বিট নুন, জিরে ভাজা, রাই, সর্ষের গুঁড়ো দিয়ে এই শাকের রায়তা খেতে অবাঙালিরা খুবই ভাল বাসেন।

হিঞ্চে শাক বা হেলেঞ্চা শাক :

পিত্ত নাশ করে। যাঁদের লিভারের দোষ আছে, যাঁদের হাত গা জ্বালা করে তারা প্রতিদিন সকালে এই শাক থেঁতো করে বা ছেঁচে রস করে খেলে উপকার পাবেন। হিঞ্চে শাকের রস শ্বেত চন্দনের ঘষে নিয়ে সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া বসন্ত রোগের প্রতিষেধক। এই শাকের স্বাদ তেতো। এই শাক শরীর ঠাণ্ডা রাখে, রক্ত পরিষ্কার করে। এই শাক সেদ্ধ করে সর্ষের তেল নুন দিয়ে মেখে ভাতে খেতে ভাল লাগে।


থানকুনি পাতা :


থানকুনি পাতাকে আয়ুর্বেদে রসায়ন বলা হয় কারণ এতে আছে শরীরের সপ্ত ধাতুর রস, রক্ত, মজ্জা্, মাংস, অস্থি ও বীর্যে পুষ্টির গুণ।  শীতল লঘুপাক সহজে হজম হয়, সারক মল নিঃসারণ করে, নিয়মিত খেলে দীর্ঘজীবন লাভ করা যায়। কাশি, অর্শ, লিভারের অসুখ, প্রস্রাবের অসুখ, গোদ, গলগণ্ড, জনডিস, কৃমি ও যোনির রোগে উপকারী। এই পাতার প্রলেপ লাগালে কুষ্ঠ, যৌনব্যাধি, নালী ঘা ও চর্মরোগ সারে।

পেটের অসুখে ও আমাশায় থানকুনি পাতার রস ও থানকুনি পাতার ঝোল খাওয়ার বিধান তো সকলেরই জানা আছে।

 
সুষনি শাক :

সুষনি শাককেও আয়ুর্বেদে রসায়ন বলা হয়েছে। কারণ এই শাকেও আছে শরীরের সপ্তধাতুর পুষ্টির গুণ। এই শাককে আয়ুর্বেদে বলা হয়েছে নিদ্রাজনক, খেলে ভাল ঘুম হয়, অর্থাৎ অনিদ্রায় উপকার দেয়, অগ্নিদীপক অর্থাৎ খিদে বাড়ায়, মেধা বাড়ায় মেধাজনক। ‘রসায়ন’ তো আগেই বলা হয়েছে।

এই শাক খেতে মিষ্টি। এই শাক ভাজা নিয়মিত খেলে মাথাও ঠাণ্ডা থাকে, রাতে ঘুম ও ভাল হয়। সুষনি শাকের আছে আর ও অনেক অসুখ সারা বার ক্ষমতা।

১। যাঁরা হাঁপানিতে কষ্ট পাচ্ছেন তাঁরা পাঁচ চা চামচ সুষনি শাকের রস গরম করে সন্ধেবেলায় খেলে রোগের প্রকোপ কমবে।

২। যে সব ছেলে-মেয়ে লেখা পড়ায় একটু পিছিয়ে আছে যারা পড়া ঠিক মনে রাখতে পারে না অর্থাৎ সাদা বাংলায় যাদের বলা হয় মাথা মোটা তাদের চার মাস ধরে নিয়মিত ভাতের সঙ্গে সুষনি শাক সিদ্ধ খাওয়ালে মেধা বাড়বে এবং পড়াশোনায় আর পিছিয়ে থাকবে না।

৩। ঘুম না হলে এই শাকের কার্যকারিতার কথা সকলেরই জানা। এই শাক খেলে ঘুম আসে বলে গ্রামাঞ্চলে অনেকে একে ঘুম শাকও বলেন। যদি কোনো রকমের দুশ্চিন্তার জন্যে বা অন্য কেনো শারীরিক বা মানসিক কারণে রাত্তিরে ঘুম ঠিক মতো না হয় তিন-চার চা চামচ সুষনি শাক বেশ খানিকটা জলে সেদ্ধ করে নিতে হবে। ফুটে ফুটে যখন চার টেবিল চামচ মতো জল বাকি থেকে যাবে সেই জলটা ছেঁকে নিয়ে অল্প দুধ মিশিয়ে রোজ সন্ধেবেলা নিয়মিত খেলেই ঘুম আসবে।


কলাই শাক :

লঘু পাক অর্থাৎ হজম হয় তাড়াতাড়ি, মলকারক মল নিষ্কাশন করে, ত্রিদোষ অর্থাৎ বাত, কফ, পিত্ত নাশক।

 
আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Wednesday, October 26, 2022

শীতকালে অবশ্যই খাওয়ার মতন ফল ও সবজি

 


ছয় ঋতুর দেশ আমাদের এই দেশ। শীতকাল মানেই এক অন্য অনুভূতি। বছরের প্রায় সবসময় কম বেশি শাক-সবজি ও ফলমূল হয়ে থাকে। তবে ষড়ঋতুর আবর্তে বাংলাদেশে শীতকালই শাক-সবজি ও ফলমূলের জন্য উপযুক্ত সময়। বাহারি শাক-সবজিতে সমৃদ্ধ শীতকাল মাছে-ভাতে বাঙালি পরিচয়টিকে যেন আরও পাকাপাকি করে তোলে একটি পরিপূর্ণ আহারের মাধ্যমে। শীতকালে এসব মৌসুমি শাক-সবজি বা ফল গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই শরীরের চাহিদা মোতাবেক পুষ্টি উপাদান, বিশেষ করে ভিটামিন ও মিনারেলসের চাহিদা পূরণ সম্ভব। খাদ্যের উপাদানের মধ্যে ভিটামিন ও মিনারেলসের অন্যতম উৎস হল শাক-সবজি ও ফলমূল। মূলত ভিটামিন ও মিনারেলস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে এবং আমাদের শরীরকে খাদ্যের শর্করা, আমিষ ও চর্বির ব্যবহারে সাহায্য করে। অর্থাৎ আমাদের শরীর রক্ষায় শাক-সবজি ও ফলমূলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

জানাবো ৫টি শীতকালীন সবজির পুষ্টিগুণ ও তাদের উপকারিতা সম্পর্কে-


শিশুদের অপুষ্টি দূর করে মটরশুটি
মটরশুঁটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি; প্রতি ১০০ গ্রামে পাওয়া যায় ১২৫ কিলোক্যালরি। উদ্ভিজ আমিষের বড় ভাণ্ডার হল শিম। শিমে আমিষ ছাড়াও স্নেহ ও ফাইবারজাতীয় খাবার অংশ থাকে। শিমের আঁশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকাংশে দূর করে। রক্তে কোলেস্টরোলের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করে পাকস্থলী ও প্লিহার শক্তি বাড়ায়। লিউকোরিয়াসহ মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে, শিশুদের অপুষ্টি দূর করে এবং পুষ্টি প্রদান করে থাকে।


শীতকালীন বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে ফুলকপি
ফুলকপিতে আছে ভিটামিন এ, বি, ও সি। এছাড়াও আছে আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফার। গর্ভবতী মা, বাড়ন্ত শিশু এবং যারা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করে তাদের জন্য ফুলকপি বেশ উপকারী একটা সবজি। ফুলকপি পাকস্থলির ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শীতকালীন বিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর, কাশি, সর্দি প্রতিরোধ করে। ফুলকপিতে বিদ্যমান ‘সালফোরাফোন’ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই সবজিতে খুব ভালো পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যসহ পেটের নানা সমস্যা দূর করে। এই খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর।


দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে গাজর
গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও খাদ্যআঁশ সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি।তরকারি বা সালাদ হিসেবে এই সবজি খাওয়া যায়।গাজরের পুষ্টির উপাদান গুলি হলো — ক্যালোরি ৩০ গ্রাম, ডায়েটরি ফাইবার ২ গ্রাম, চিনি ৫ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৭ গ্রাম, সোডিয়াম ৬০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ২৫০মিলিগ্রাম। এছাড়াও ক্যালসিয়াম দৈনিক চাহিদার ২শতাংশ, আয়রন ২শতাংশ, ভিটামিন এ ১১০ শতাংশ, ভিটামিন সি ১০ শতাংশ ঘাটতি পূরণ করে। গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। গাজরে উপস্থিত ক্যারোটিনয়েড ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। গাজরের সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের মরা কোষ দূর হয় ও ত্বক উজ্জ্বল হয়।


ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগে কার্যকর টমেটো
টমেটো প্রচুর উপকারী একটি সবজি।এর প্রচুরঔষধই গুনও রয়েছে।এর পুষ্টি তালিকা এমন- প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটোতে আছে ০.৯ গ্রাম আমিষ, ৩.৬ গ্রাম শর্করা, ০.৮ মি. গ্রাম আঁশ, ০.২ মি. গ্রাম চর্বি, ২০ কিলোক্যালরি শক্তি, ৪৮ মি. গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২০ মি. গ্রাম ফসফরাস, ০.৬৪ মি. গ্রাম লৌহ, ৩৫১ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন ও ২৭ মি. গ্রাম ভিটামিন ‘সি’। টমেটোর লাইকোপেন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগে কার্যকর। নিয়মিত টমেটো খেলে পাকস্থলী ও অন্ত্র সুস্থ ও সবল থাকে। টমেটো মূত্রথলির অম্লতাকে নিরপেক্ষ রাখতে সাহায্য করে। ফলে মূত্রাশয়ের সংক্রমণ ও পাথর তৈরি হয় না।


কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ব্রোকলি
ব্রোকলি বা সবুজ ফুলকপি একটি কপি জাতীয় সবজি। শীতকালীন সবজির হিসেবে ব্রোকলি বর্তমানে আমাদের দেশে চাষ করা হচ্ছে। ব্রোকলিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। ব্রোকলি অত্যন্ত উপাদেয়, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি সবজি। এটি চোখের রোগ, রাতকানা, অস্থি বিকৃতি প্রভৃতির উপসর্গ দূর করে ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

Tuesday, October 25, 2022

শসার জুসের উপকারিতা

 নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ভালোবাসা ও স্বাগতম আমার এই পেজ এ। আশা করবো আমার প্রত্যেক লেখা আপনাদের অনেকটাই উপকার করতে সাহায্য করবে বা আশা করবো ভালো লাগবে আপনাদের। আপনাদের সকলের সুস্থতা কামনা করি। আজ আমি আপনাদর শসার রস বা শসার জুস কতটা উপকারী সেটা বলবো। আর বলবো শসার জুস বা শসার রস কতটা কাজে লাগে আর কি কি কাজে লাগে সেটাও আপনাদের জানাবো। বন্ধুরা আমরা শসা কম বেশি সবাই খেয়ে থাকি বা সালাদ এও আমরা ব্যাবহার করে থাকি। তবে খাবারের সাথে অনুষঙ্গ হিসেবে শসার কদর বেশি হলেও পুষ্টিগুণের দিক দিয়ে শসা মোটেও পিছিয়ে নেই।

শসা গোর্ড পরিবারের কিউকারবিটাসের অন্তর্গত একটি অতি পরিচিত উদ্ভিদ। শসা এক প্রকারের ফল। লতানো উদ্ভিদে জন্মানো ফলটি লম্বাটে আকৃতির এবং প্রায় ১০-১২ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। এর বাইরের রং সবুজ। তবে পাকলে হলুদ হয়। ভেতরে সাদাটে সবুজ রঙের হয়, এবং মধ্যভাগে বিচি থাকে। এর উত্পত্তি ভারতবর্ষে হলেও বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব জায়গাতেই জন্মে। এটি সাধারণত গরমের সময় বেশি পাওয়া যায়। বেশ কয়েক জাতের শসা রয়েছে। এই ফলে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে এবং জলের পরিমাণ বেশি থাকে। খোসাসহ একটি কাঁচা শশা’র প্রতি ১০০ গ্রামে ক্যালোরির পরিমাণ ২০ কিলো ক্যালোরি। বাংলাদেশে শশা প্রধানত সালাদ হিসেবে ব্যবহূত হয়। শসা যতটাই সাদাসিধে হোক না কেন খাদ্যগুণ বিচারে এটি অনন্য।

স্বাস্থ্যকর ও সহজলভ্য বলে আমরা সারা বছরই শসা খেতে পছন্দ করি। প্রচুর পরিমাণ পানি, ভিটামিন কে, সিলিকা, ভিটামিন এ, সি, ক্লোরোফিল থাকে বলে শসাকে দারুণ উপকারী সবজি হিসেবে গণ্য করা হয়। কাঁচা এবং রান্না করে খাওয়ার পাশাপাশি পুষ্টির জন্য জুস হিসেবেও খাওয়া যায়। নিয়মিত শসার জুস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে।

কিন্তু এই শসা রস কতটা আমাদের ত্বকের পক্ষে উপকারী সেটাই একটু আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। শসায় প্রায় ৯০ শতাংশ জল , ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে ও ক্যাফিক এসিড রয়েছে, যা ত্বককে নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল করে। এ ছাড়া ত্বকের জলশুন্যতা দূর করতে এই উপাদান বেশ কার্যকর। আর ত্বকের চুলকানি ও অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা দূর করতে নিয়মিত শসার রস ব্যবহার করতে পারেন। আমরা দেখে নেবো শসার জুসের উপকারিতা। 

1. ওজন কমাতে

যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসার জুস দারুণ কার্যকর। এতে ক্যালরি কম থাকে এবং প্রচুর পানি থাকে, যা অতিরিক্ত চর্বি কমাতে পারে।

2. হজম ভালো হয়

ডায়েটারি ফাইবার ও প্রচুর পানি থাকায় শসার জুস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পরিপাকতন্ত্র থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিয়ে হজমে সাহায্য করে শসার জুস।

3. মাথার ব্যাথা কমায়।

ঝিমঝিম ভাব কাটানোর জুস হিসেবে দারুণ কার্যকর। এ ছাড়া মাথা ব্যথা কমাতে পারে শসার জুস।

4. ক্যানসার প্রতিরোধ করে

নিয়মিত স্বাস্থ্যকর এ জুস খেলে মারাত্মক ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। শসাতে যে ল্যারিকিরেসিনোল, পিনোরিসিনোল ও সিকোইসো ল্যারিকিরেসিনোল নামের উপাদান থাকে, যা বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

5. দেহের ভেতর–বাইরের তাপ শোষক

কখনো কখনো আপনি শরীরের ভেতর-বাইরে প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এ অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন।এ ছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন।

6. প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করে

প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে।

7. ত্বক বান্ধব খনিজের সরবরাহকারী

শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।

8. হজম ও ওজন হ্রাসে সহায়ক

শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

9. শরীরকে আর্দ্র রাখে

প্রতিদিন এক গ্লাস করে শসার জুস খেলে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়। শসায় প্রচুর পানি থাকায় শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

10. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে

ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়, কোলস্টেরল কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

11. চোখের জ্যোতি বাড়ায়

সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।চোখের প্রদাহপ্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া ঠেকাতেও এটি কাজ করে।

12. দেহের জলশুন্যতা দূর করে

ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে। বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে।কারণ, শসার ৯০ শতাংশই পানি।

13. ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে

শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

14. বিষাক্ততা দূর করে

শসার মধ্যে যে পানি থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খাওয়ায় কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।

 

আরও পড়ুন – শসা ত্বকের কী কী উপকার করে – Cucumber Benefits For Skin

15. মুখরোচক শসার জুস।

উপকরন

১. শসা কুচি ১ কাপ
২. জল ২ কাপ
৩. পুদিনাপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
৪. কাঁচামরিচ ১ টি মিহিকুচি
৫. বিট লবন আধা চা চামচ
৬. লবন স্বাদমত
৭. সবুজ ফুড কালার সামান্য (ইচ্ছে হলে)
৮. লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
প্রনালী :
সবগুলো উপকরন ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এরপর গ্লাসে ছেকে নিয়ে বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মুখরোচক শসার জুস।

শেষ কথা 

“প্রচুর পরিমাণ জল , ভিটামিন কে, সিলিকা, ভিটামিন এ, সি, ক্লোরোফিল থাকে বলে শসাকে দারুণ উপকারী সবজি হিসেবে গণ্য করা হয়।” ——– দুঃখের বিষয় এই যে এতসব ভালো জিনিষের সাথে সামান্য পরিমানে চাষের সময় প্রয়োগ করা কীট নাশক ও থেকে যায়।

 

 

 

বিটের রস ত্বকের জন্য ভাল কেন? স্বাস্থ্য টিপস!

 

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে, বিটের রস ত্বকের জন্য ভাল কেন? “স্বাস্থ্য টিপস”। বিট এমন এক সব্জী যে সাধারণত কাঁচা সালাদ আকারে খাওয়া হয় এবং এটি ভেজিটেবল চপে ও ব্যাবহার হয়ে থাকে। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে, প্রাকৃতিকভাবে বিটের রস Beet juice তৈরি করে খাওয়া যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এবং বিশেষত এর ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। বিটের রসের স্বাদ এবং উপকারিতা বাড়াতে বিটের সঙ্গে গাজর ও যুক্ত করা যেতে পারে। মসৃন লাবণ্যময় ত্বক পেতে আপনাদের জন্য রইলো বিটের রসের কিছু “স্বাস্থ্য টিপস”।

Beetroot juice স্বাস্থ্য টিপস
Beetroot

সৌন্দর্য, যা মানুষের মনের পেছনে এক গোপন অবস্থান, যা অর্জনের চূড়ান্ত উপায় হিসাবে, ভূমিকা পালন করে। আসুন দেখেনি কীভাবে বিটের রস আমাদের সৌন্দর্য অর্জন করতে সহায়তা করে। যেটা সর্বদা আপনার স্বপ্ন ছিল এবং সেটা বাস্তবে পরিণত করতে বিটের রসের “স্বাস্থ্য টিপস” ও ব্যাবহার সম্পর্কে আজ জানবো।

স্বাস্থ্য টিপস, ত্বকের ব্রণ দূর করতে বিটের রস!

স্বাস্থ্য টিপস, ত্বকের ব্রণ দূর করতে বিটের রস!

তৈলাক্ত ও ব্রণযুক্ত ত্বকের জন্য বিট বেশ কার্যকরী এবং পাশাপাশি ত্বকের পুষ্টি বাড়াতেও এটি সহায়তা করে।। নিয়মিত বিটের রস পান করলে ব্রণ এবং মুখমন্ডলের ক্ষত হওয়া রোধ করে কারণ বীতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য।

আপনার যদি ব্রণর কারণে মুখমণ্ডলে ক্ষত বা দাগ থাকে থাকে। তবে 1 টেবিল চামচ বিট রস এবং 1 টেবিল চামচ দই একত্রে মিশ্রণ করে। মুখমন্ডলে প্রলেপ করুন এতে ভালো ফল পাবেন! ধীরে ধীরে ব্রণ শুকিয়ে যাবে এবং কোন দাগও থাকবেনা।

আপনার যদি বিটের স্বাদ ভালো না লাগে তবে বিটের সঙ্গে কমলা লেবু, শসা, অথবা গাজরের রস সময় পরিমানে যোগ করতে পারেন।

স্বাস্থ্য টিপস, উজ্জ্বল ঝলমলে ত্বকের জন্য বিট!

স্বাস্থ্য টিপস, উজ্জ্বল ঝলমলে ত্বকের জন্য বিট!

স্বাস্থ্যকর বিট রসে রয়েছে, ভিটামিন, আয়রন, এবং মিনারেলের উৎস। যা আপনা স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বল ঝলমলে ত্বক প্রদান করতে পারে। নিয়মিত বিট রস পান করলে শরীরের বিষাক্ত ও বজ্র উপাদান দূর করে রক্তকে বিশুদ্ধ করে তোলে ,এবং একটি সুস্থ মসৃন ত্বকে প্রদান করতে সহায়তা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ সুস্থতা, যা বাইরের প্রতিফলন ১০০ % নিশ্চিত।


বিটের রস মুখমন্ডলে ম্যাসাজ করলে, ফুলের পাপড়ির ন্যায় ত্বক নরম এবং কোমল থাকে। বিট, মৃত কোষ অপসারণ করতে সহায়তা করে পাশাপাশি নতুন কোষের প্রতিস্থাপন করে।

স্বাস্থ্য টিপস,ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে

স্বাস্থ্য টিপস, উজ্জ্বল ফর্সা ত্বকের জন্য বিট!

উজ্জ্বল ফর্সা ত্বকের জন্য। আমরা সাধারণত বাজারের ক্ষতিকারক রাসায়নিক সৌন্দর্য পণ্যের উপর আকৃষ্ট হই। কিন্তু প্রাকৃতিক ভাবেও ত্বকের উজ্জ্বলতা বা ফর্সাবর্ণ করা যেতে পারে, যেটা স্বাস্থ্যসমত এবং নিরাপদ। নিয়মিত বিট রস পান করা, এবং ১ চামচ বিট রস ও ১ চামচ লেবুর রস মিশ্রণ করে , রাতে মুখমন্ডলে হালকা ভাবে ম্যাসাজ করুন এবং ১৫ মিনিট বাদে ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার ত্বকের বর্ণের উজ্জ্বলতা বাড়াতে আশ্চর্য কাজ করবে।

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে

স্বাস্থ্য টিপস, চোখের নিচে কালী- dark circles জন্য বিট!

দৈনন্দিন কর্মবেস্ত জীবন, মানসিক চাপ এবং অনিদ্রা ইত্যাদির কারণে চোখের নিচে কালো স্পট (dark circles) হতে পারে। এই ডার্ক সার্কেল দূর করতে নিয়মিত বিট রসের ব্যাবহার আপনার চোখর নিচে কালো স্পটকে গুডবায় করতে সহায়তা করে।

বিঃদ্রঃ
অ্যালার্জি বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার জন্য, প্রাথমিকভাবে বিট রস সল্প পরিমাণে গ্রহণ করে, পরীক্ষা করুন। কোন রূপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এড়াতে। জল অথবা অন্যান্য ফলের জুসের সহিত রসটি পাতলা করে পান করতে পারেন।

আশ্চর্য! গাজরের রস একগ্লাস, রোজ খেলে যা ঘটবে...

 


 রোজ গাজর খেলে বুদ্ধি বাড়ে,চোখের জ্যোতি বাড়ে। ছোটবেলায় একপ্রকার ভয় দেখিয়ে জোর করেই গাজর খাওয়াতেন বাড়ির লোকেরা। স্যালাডের মধ্যে শসা, পেঁয়াজ, ট্যমাটো, গাজর থাকলে প্রথমেই গাজর স্থান পায় পাতের পাশে। আর নুন দিয়ে গাজর সেদ্ধ তো নৈব নৈব চ। এদিকে চাইনিজ থেকে চাট, ভেলপুরি, কারি- সবেতেই গাজরের অবারিত দ্বার। আর ক্ষীর, দুধ, কাজু-কিসমিস দিয়ে গাজরের হালুয়া বানালে তো কথাই নেই। গন্ধের টানে পড়শি অবধি বাড়িতে এসে হাজির হবে। কমলা রঙের এই সুন্দর সব্জির অনেক গুণ। তাই প্রতিদিন সকালে ঘাম ঝরানোর পর যদি এক গ্লাস গাজরের জুস খেতে পারেন তাহলে কি কি হতে পারে জেনে নিন। 

ভিটামিনের যোগান
ভিটামিন এ- এর অন্যতম উৎস হল গাজর। গাজরের মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। চোখের অন্যান্য সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস ইত্যাদির মতো সমস্যায় বাধা দেয়। এতো বিজ্ঞানের বইতেও আমরা পড়েছি। তাই বাড়ির লোক কিন্তু ভুল বলতেন না। তবে গাজর একেবারে কাঁচা না খেয়ে হালকা ভাপিয়ে খান।  

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহায়ক
গাজরের মধ্যে ক্যারটিনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ক্যান্সার প্রতিরোধে এবং রক্ত শুদ্ধিকরণের সাহায্য করে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও মুখের থেকে দাগ ছোপ দূর করে, বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে গাজরের জুস।

ক্যানসার প্রতিরোধে
হজমের পর খাদ্যের কিছু উচ্ছিষ্ট আমাদের শরাীরে থেকে যায়। যাকে ফ্রি র‍্যাডিকেলস বা মৌল বলে। এই ফ্রি র‍্যাডিকেলস শরীরের কিছু কোশ নষ্ট করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার এই ধরনের মৌলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। শরীরে ক্যানসারের কোশ উৎপাদন কম হয়। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে ৩৩ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’, ৯ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ এবং ৫ শতাংশ ভিটামিন ‘বি-৬’ পাওয়া যায়। এগুলো এক হয়ে ফ্রি র‍্যাডিকেলসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।

Tomato Juice Benefits || ডায়াবিটিস থেকে চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে টমেটো জুস

 


 টমেটো আমাদের প্রতিদিনের চেনা সবজি। তবে এই সবজি নিয়ে বেশিরভাগ মানুষই তেমন কোনও খোঁজ রাখেন না। আর এই কারণেই সমস্যা তৈরি হয়ে যায়। তাই এই বিষয়টি সকলেরই মাথায় রাখতে হবে। আসলে সবজি হিসাবে খাওয়ার পাশাপাশি টমেটো জুস খেলেও অনেক সমস্যা কমে যায়। এবার দেখা গিয়েছে যে টমেটো জুস হল ত্বকের জন্য খুবই ভালো। এই জুসের মধ্যে থাকে ভিটামিন A এবং C. পাশাপাশি রয়েছে ভালো পরিমাণে ফাইবার, ক্যালশিয়াম, ফোলেট। এই কারণে ত্বকের পাশাপাশি চোখ ভালো রাখতেও পারে টমেটো জুস। এছাড়া ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এই জুস। তাই চিন্তার কোনও কারণ আপাতত নেই। 

চোখের উপকার হয়
আসলে টমেটো জুসে ভালো পরিমাণে ভিটামিন C এবং A থাকে। এবার এই দুটি ভিটামিন চোখের জন্য খুবই ভালো। তাই চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলির কথা মাথায় রাখতে হবে। তবেই সমস্যা থেকে মানুষটি চোখের সমস্যার আওতা থেকে বের করা যেতে পারে। 


ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য ভালো
ডায়াবিটিস (Diabetes) আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন বাড়ছে। এই রোগে আক্রান্ত হলে অনেক সমস্যাই দেখা দেওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে ইনসুলিন কমে যাওয়ার কারণে এই সমস্যা দেখা যায়। এবার দেখা গিয়েছে যে ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও দারুণ কার্যকরী হল টমেটো জুস। আসলে এই জুসে রয়েছে ভালো পরিমাণে ক্যারোটিন, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ফোলেট, ফ্ল্যাভানয়েডস ইত্যাদি। এবার এই সমস্ত উপাদান কিন্তু সুগার কমিয়ে দিতে পারে।



ইমিউনিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে
ইমিউনিটি (Immunity) বাড়ানোর ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী হয়ে যেতে পারে এই টমেটো জুস। আসলে এই খাবারে ভালো পরিমাণে ভিটামিন C রয়েছে। তাই প্রতিটি মানুষকে ইমিউনিটি বাড়াতে চাইলে এই জুস খেতেই পারেন। তবেই সমস্যা দূর করা সম্ভব।



এবার আপনার মনে হলে এমনিই সবজি হিসাবে খেতে পরেন টমেটো। আবার চাইলে খেতে পারেন জুস। কোনও চিন্তার কারণ নেই। বরং আপনি একটু স্বাস্থ্য সম্মত থেকে গোটা বিষয়টার সঙ্গে নিজেকে পরিচিত করান। এক্ষেত্রে অনেকের আবার জুস খেলে সমস্যা হয়। তাঁরা এড়িয়ে চলুন।

 

রোজ বিটের জুস পান করেন? শরীরের কতটা ক্ষতি করছেন জানেন?

 


 বাস্থ্যকর সবজির মধ্যে অন্যতম হল বিট। ভারতীয়রা স্যালাডের সঙ্গে বিট খেতে বেশি পছন্দ করেন। অনেকে আবার মিহি করে কুঁচিয়ে রান্না করে খেতেও ভালবাসেন। বিটরুটের রস ভিটামিন, আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিডের চমৎকার উৎস, যা লাল রক্ত ​​কণিকার উৎপাদন বাড়ায়, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এবং কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ায়। বিটে আয়রন থাকায় চিকিৎসকরাও শরীরে রক্তের অভাব মেটাতে বিট খাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, অতিরিক্ত বিটরুটের রস পান করা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক? হ্যাঁ, বিটের উপকারিতা থাকলেও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে।

বিটুরিয়া

বিট বা বিটযুক্ত রঙিন খাবার খাওয়ার পরে লাল বা গোলাপী রঙের প্রস্রাব হওয়াকে বলা হয় বিটুরিয়া। যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, তাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা গিয়েছে।

 

কিডনিতে পাথর

গবেষণা অনুসারে, বিট অক্সালেট সমৃদ্ধ এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। বিট ইউরিনারি অক্সালেট নিঃসরণ বাড়ায়, যা শরীরে ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথরের বিকাশ ঘটাতে পারে। তাই যারা কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভুগছেন, তাদেরকে চিকিৎসকরা বিট বা বিটের রস খাওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দেন।

 

পেট খারাপ  
 
বিটরুটে নাইট্রেট থাকে। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস-এর একটি প্রকাশনা অনুসারে, শরীরে উচ্চ মাত্রার নাইট্রেটের কারণে পেটে ব্যথা হতে পারে। তাছাড়া, বিটের জুস পানের ফলে কেউ কেউ পেটের রোগে ভুগতে পারেন।

গর্ভাবস্থায় সমস্যা 
 
 বিটে নাইট্রেটের উপস্থিতি গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক হতে পারে। গর্ভাবস্থায় অত্যধিক নাইট্রেট গ্রহণের ফলে এনার্জির অভাব, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা এবং চোখ, মুখ, ঠোঁট, হাত ও পায়ের চারপাশের ত্বকের রঙ নীল-ধূসর হয়ে যেতে পারে।

লিভারের ক্ষতি 
 
গবেষকদের মতে, বিটরুটের অত্যধিক ভোজনের ফলে লিভারে ধাতব আয়ন জমা হতে পারে, যা লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
 
 ক্যালসিয়ামের অভাব
ক্যালসিয়ামের অভাব রিপোর্ট অনুসারে, অত্যধিক বিটরুটের রস শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা হ্রাস করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে সব মহিলাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কম থাকে, তাদের অত্যধিক বিটরুট রস বা বিট না খাওয়াই ভাল।

আনারসের ১০টি অজানা গুণ

 


হ্যালো বন্ধুরা আপনারা কেমন আছেন!

আমাদের প্রকৃতি আমাদের দরকারি সমস্ত সামগ্রীই এই প্রকৃতিতে সৃষ্টি করে রেখেছে কিন্তু আমরা অনেকেই সেই সব অতি মূল্যবান বস্তুগুলি সম্পর্কে সচেতন নয়।
চলুন আজ আমরা সেইরকম কিছু জিনিস সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করি।

আনারস আমাদের অন্যতম প্রিয় ফল। আনারস আপনি কেটে অথবা আনারসের রস  বানিয়ে অথবা কোন রান্নায়, যেই ভাবেই খান না কেন, এটি সব সময়ই সুস্বাদু।

জ্বরের চিকিৎসায় গ্রাম বাংলায় আনারসের ব্যবহার বহু আগে থেকে চলে আসছে।

এছাড়াও এই ফলটির অনেক উপকারী গুন আছে, সেগুলি হলো -

১:) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ-

 আনারসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি আছে।

ভিটামিন সি মানুষের অসুস্থতা থেকে বাঁচিয়ে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
এছাড়া আনারস অনেক এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

২:)  হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীঃ-
আনারসে প্রচুর পরিমাণ ম্যাংগানিজ আছে যা হাড়ের গঠন, বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনের জন্য খুবই দরকারি।

৩:) চোখের দৃষ্টির উন্নতি করেঃ-
ম্যাকুলার ডিজেনারেশন, চোখের দৃষ্টিজনিত একটি সাধারন রোগ।

এই রোগ অনেক বয়স্ক মানুষের মধ্যে অতি মাত্রায় দেখা যায়। আনারসে থাকা বেটা ক্যারোটিন বয়স জনিত এই ধরনের চোখের সমস্যা সৃষ্টিতে বাঁধা দেয়।

আনারস চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং বয়সজনিত চোখের রোগ থেকে আমাদের দূরে রাখতে সাহায্য করে।

৪:) আঘাত বা কাঁটা ঘা ঠিক হতে সাহায্য করেঃ-
কিছু বিশেষ রোগ এবং দুর্বল স্বাস্থ্য মানুষের শরীরের নিজে থেকে সুস্থ হওয়াকে  বাধাগ্রস্থ করে।
এই সমস্যায় আনারস সাহায্য করতে পারে। আনারসে প্রচুর পরিমাণ ব্রোমেলিন আছে যা মানুষের নিজে থেকে সুস্থ হওয়ার ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে।

এখন আনারসের নির্জাসের লোশনও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

৫:) হজমে সাহায্য করেঃ- নিয়মিত আনারস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া সহ বিভিন্ন রকম হজম এবং পেটের সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া যায়।

৬:) ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ- আনারসে প্রচুর পরিমাণ এন্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, বেটা ক্যারোটিন, ব্রোমেলিনেবং ম্যাংগানিজ আছে যার ফলে আনারস নিয়মিত খেলে মুখ, গলা এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকা যায়।

৭:) কিডনির পাথর দূর করেঃ- নিয়মিত আনারস খেলে এটি ব্লাড ক্লট সৃষ্টিতে বাঁধা দেয় এবং এটির ভিতরে থাকা ব্রোমেলিন কিডনির পাথর দূর করতে সাহায্য করে।

৮:) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেঃ- আনারসে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম আছে। পটাশিয়াম রক্তচাপ কমিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে।

৯:) মুখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করেঃ- আনারসের ভিতরে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট মুখের ক্যান্সার হতে বাঁধা দেয়। এছাড়া আনারস দাত ও মাড়ির শক্ত ও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

১০:) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেঃ- আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে যা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের জন্য খুবই উপকারী।
টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের রক্তের গ্লুকোজের লেভেল কমিয়ে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের রক্তের সুগার, লিপিড এবং ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন। 

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।