***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

Showing posts with label heart. Show all posts
Showing posts with label heart. Show all posts

Monday, October 24, 2022

প্রবীণদের হৃদরোগ

 


হৃদপিণ্ড হল একটি বিশেষ ধরণের মাংসপেশী। হৃদপিণ্ডের স্পন্দনের মাধ্যমেই রক্ত দেহের সবর্ত্র ছড়িয়ে পড়ে। অক্সিজেন হৃদপিণ্ডের এই স্পন্দনে সহায়তা করে। হৃদপিণ্ডের উপরিভাগে  করোনারি ধমনীর মাধ্যমে হৃদপিণ্ড এই অক্সিজেন পায়। ধমনীর ভিতরে কোলেস্টেরল জমা হয়ে স্তর তৈরি করে এবং ধীরে ধীরে বড় হয়ে ধমনীর রক্ত চলাচল কমিয়ে দেয় এবং কোনও কোনও সময় রক্ত চলাচল এক দম বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থাকে এথেরোসক্লোরেসিস বলে। এ অবস্থা সৃষ্টি হলে এবং সুচিকিৎসা না করালে নানা রকমের হৃদরোগ দেখা দেয়। যেমন হার্ট অ্যাটাক এমনকী মৃত্যুও হতে পারে।

হৃদরোগের উপসর্গসমূহ

কোনও কোনও সময় এ রোগের কোনও উপসর্গ থাকে না। কখনও উপসর্গগুলি ক্রমশ প্রকাশ পায়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে প্রথমেই প্রচণ্ড বুকে ব্যথা এমনকী হার্ট অ্যাটাক নিয়ে এ রোগের প্রকাশ ঘটে।

  • বুকের মাঝখানে ব্যথা ও প্রচুর ঘাম হওয়া
  • কখনও বুকে ব্যথার সঙ্গে হাতে, ঘাড়ে অথবা চোয়ালে ব্যথা বা অবশ হওয়ার অনুভূতি বুক জ্বালা করা
  • বদহজমের অনুভূতি
  • বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
  • নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
  • কোনও কোনও ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা বা উপরোক্ত উপসর্গ নিয়ে এ রোগের প্রকাশ ঘটে

যে কারণে হৃদরোগ হতে পারে

  • ধূমপান
  • উচ্চ রক্তচাপ
  • ডায়াবেটিস (বহুমূত্র)
  • ব্যায়াম না করা
  • বৃদ্ধ বয়স

জরুরি করণীয়

প্রবীণ রোগীর বুকে ব্যথা হলে তাকে কোনওরূপ নড়াচড়া করা যাবে না। স্ট্রেচারে বা হুইলচেয়ারে বা অ্যাম্বুলেন্সে করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিতে হবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাস্য প্রশ্নাবলি

প্রশ্ন ১ : হৃদরোগের উপসর্গসমূহ কী কী?

  • বুকের মাঝখানে ব্যথা
  • কখনও বুকে ব্যথার সঙ্গে হাতে, ঘাড়ে অথবা চোয়ালে ব্যথা বা অবশ হওয়ার অনুভূতি
  • বুক জ্বালা করা
  • বদহজমের অনুভূতি
  • বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
  • নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
  • কোনও কোনও ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা বা উপরোক্ত উপসর্গ নিয়ে এ রোগের প্রকাশ ঘটে

প্রশ্ন ২ : হৃদরোগের ঝুঁকিগুলো কী?

  • ধূমপান
  • উচ্চ রক্তচাপ
  • ডায়াবেটিস (বহুমূত্র)
  • ব্যায়াম না করা
  • বৃদ্ধ বয়স

Monday, October 10, 2022

সুস্থ হার্টের জন্য ১০টি টিপস

 


আমাদের প্রত্যেকের মনেই অনেক সময় অনেক রকমের প্রশ্ন আসে, কিন্তু আমরা অনেকেই সেই সব প্রশ্নে কোনো উত্তর খুজে পায় না।
আমরা আমাদের লেখার মাধ্যমে সেই সব প্রশ্নের সমাধান করে থাকি । 

আজকের আমাদের আলোচনার বিষয় হলো সুস্থ হার্টের জন্য ১০টি টিপস । 

হার্ট বা হৃদয় আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে একটি। এই হৃদয় ৪-৬ মিনিটের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে একজন মানুষ মারা যেতে পারে। সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য একটি সুস্থ হার্টের অনেক দরকার আমাদের। হার্ট সুস্থ না থাকলে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হয়। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের হার্টের সুস্থতার ব্যপারে ১০টি টিপস দিব যা আপনাদের সারা জীবন কাজে লাগবে।

 

১:) সিগারেট পুরোপুরি ছেঁড়ে দিনঃ সিগারেট আমাদের শরীরের উপর ব্যাপক নেগেটিভ প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে একজন অধূমপায়ী, এক অন ধূমপায়ীর থেকে প্রায় দিগুণ বাঁচে। ধূমপান ফুস্ফুস এবং হার্টের প্রচুর ক্ষতি করে। যেই মুহুর্ত থেকে আপনি ধূমপান ছেঁড়ে দিবেন আপনি অনুভব করবেন আপনি একটা নতুন জীবন পেয়েছে। তাই আজ থেকেই ধুমপান ছেঁড়ে দিন।

২:)  লবণ কম খানঃ অতিরিক্ত লবণ খাওয়া মানুষের রক্তচাপের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আর উচ্চ রক্তচাপ মানুষের করনারি হার্টের অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই খাবারের সাথে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বন্ধ করতে হবে। আমরা এখন ফাস্টফুডে যে সমস্ত খাবার খাই এবং প্যাকেট জাতীয় যে সমস্ত খাবার খাই যেমন- পিজ্জা, বার্গার, চিপস, টিনজাত খাবার ইত্যাদি খাবারের মধ্যে প্রচুর পরিমানে লবণ থাকে। আমাদের কাঁচা লবণের পাশাপাশি এই ধরনের খাবারও এড়িয়ে চলতে হবে।

৩:) খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করাঃ বলা হয়ে থাকে পেট থেকে সুস্থতার শুরু হয়। আপনি কি খাচ্ছেন তার উপরে নির্ভর করে আপনি কতোটা সুস্থ থাকবেন। আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে তেল ও চর্বি জাতীয় খাবার কম খান। যত পারেন শাকসবজি খান। কোলেস্টেরল বাড়ে এমন খাবার না খাওয়াই শ্রেয়।

৪:) নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিনঃ আপনার যদি হার্টের সমস্যা থাকে বা আপনার বংশে যদি হার্টের সমস্যার ইতিহাস থাকে তাহলে এটাকে সিরিয়াসলি নিন। নিয়মিত আপনার ডাক্তারের কাছে যান। তার পরামর্শ অনুযায়ী চলুন। ডাক্তারের কোন এপয়েন্টমেন্ট বাদ দিবেন না।

৫:) শারিরিক পরিশ্রম করুনঃ শারিরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়াম হার্ট সহ পুরো শরীরের জন্য উপকারী। আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের মতে একজন সুস্থ মানুষের প্রতি সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝারী ব্যায়াম অথবা ৭৫ মিনিট ভারি ব্যায়াম করা উচিত। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করুন, হতে পারে তা হাঁটা, দৌড়ানো অথবা সাঁতার।

৬:) বসা কাজ কম করুনঃ আধুনিক যুগে আমরা কম্পিউটার অথবা টিভির সামনে অনেক সময় কাটায়। এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কোন মুভমেন্ট ছাড়া এক জায়গায় বসে থাকা যেমন হার্টের বিভিন্ন অসুখ তৈরি করে তেমনি বিভিন্ন রিসার্চে দেখা গেছে এর কারণে মানুষের আয়ুও কমে যায়। আপনার কাজ যদি বসা হয় তাহলে প্রতি ৪০ মিনিট পর উঠে ২-৫ মিনিট হাঁটুন। আর নিজের অবসরে শারীরিক ব্যায়াম করুন।

৭:) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুনঃ অতিরিক্ত ওজন শরীরের সম্পুর্ন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সুস্থ হার্টের জন্য নিজের ওজন কমান। অতিরিক্ত মেদ বিশেষ করে শরীরের মধ্যভাগ মানে পেট এবং পেটের নিচের মেদ ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্টেরলের সাথে সম্পর্কযুক্ত। সুতরাং সুস্থ হার্টের জন্য ওজন কমান।

৮:) অতিরিক্ত চিন্তা থেকে দূরে থাকুনঃ দুশ্চিন্তা মানুষের সামাজিক জীবনের উপর যেমন প্রভাব ফেলে তেমনি মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করে। এটি হার্টের জন্যও ক্ষতিকারক। কখনই চিন্তাকে মনে বাসা বাঁধতে দিবেন না। সব সময় মনকে শান্ত রাখার জন্য মেডিটেশন করুন অথবা সুন্দর কোন গান শুনুন।

৯:) পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানঃ পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান আমাদের সুস্থ থাকার অন্যতম প্রধান শর্ত। না ঘুমালে মানুষের ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায়, মানুষ অতিরিক্ত খায় এবং তার পরিষ্কার চিন্তা করার ক্ষমতা কমে যায়। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান।

১০:) কোলেস্টেরল ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখুনঃ অতিরিক্ত কোলেস্টেরল এবং বেশি রক্তচাপ আমাদের হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই কোলেস্টেরল এবং ব্লাড প্রেসার সবসময় মনিটর করুন। যদি কোন সমস্যা হয় ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

এই ছিল হার্ট সুস্থ রাখতে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস। যদি আপনার শারীরিক কোন সমস্যা দেখা যায় তাহ্লে সবার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 
আর এইরকম টিপস আরো পেতে আমাদের পেজে লাইক দিন, আমাদের সাথেই থাকুন। আপনার মতামত আমাদের কমেন্ট করে জানান।
আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন। 

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।