***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

Showing posts with label WINTER HEALTH. Show all posts
Showing posts with label WINTER HEALTH. Show all posts

Thursday, October 27, 2022

শুষ্ক, ফাটল হিল আছে? মুক্তি পেতে কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার || cracks in heels || deep cracks in heels

 

শুষ্ক, ফাটল হিল আছে? মুক্তি পেতে কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার

ফাটল হিল কারণ 

ফাটা হিল, যা কলাস নামেও পরিচিত, হিলের চারপাশে শুষ্ক এবং ঘন ত্বক থাকে। কলাস হওয়ার প্রধান কারণ হল আপনি যখন হাঁটেন, তখন আপনার গোড়ালির নিচের চর্বিযুক্ত প্যাডটি প্রসারিত হয় এবং কলাস সৃষ্টি করে।

দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা, খালি পায়ে হাঁটা, গরম ঝরনা, প্রাকৃতিক তেলের ত্বক ছিন্ন করে এমন পণ্য ব্যবহার করা, জলবায়ু পরিবর্তন অন্য কিছু কারণ যা হিল ফাটা হতে পারে।

ফাটা হিল জন্য ঘরোয়া প্রতিকার

ফাটল হিল কখনই আনন্দদায়ক দৃষ্টিভঙ্গি নয়, তাই আপনাকে অবিলম্বে সমস্যাটি সমাধান করতে হবে। ফাটা হিলের জন্য এখানে কিছু ঘরোয়া প্রতিকার রয়েছে যা আপনি চেষ্টা করতে পারেন।

মধু
ফাটা গোড়ালির প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে মধু কাজ করতে পারে। এটিতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ক্ষত পরিষ্কার করতে এবং ত্বককে ময়শ্চারাইজ করতে সহায়তা করে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন: এক বালতি গরম জলে এক কাপ মধু যোগ করুন এবং আপনার পা ভিজিয়ে রাখুন। এটি প্রায় 20 মিনিটের জন্য করুন এবং আলতো করে স্ক্রাব করুন। নরম পায়ের জন্য এটি নিয়মিত করুন।

জলপাই তেল
অলিভ অয়েলও সমস্যার একটি চমৎকার সমাধান। এটিতে পুষ্টিকর বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বককে নরম এবং কোমল করতে সাহায্য করতে পারে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন: এই প্রতিকারের জন্য আপনার যা দরকার তা হল এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল। একটি তুলোর বল ব্যবহার করে এটি প্রয়োগ করুন এবং 10-15 মিনিটের জন্য আপনার পায়ে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। পা ঢেকে রাখার জন্য মোজা পরুন এবং এক ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন।

পেট্রোলিয়াম জেলি
পেট্রোলিয়াম জেলি একটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে যা বাইরের ত্বক থেকে পানি কমায়। এটি আপনার ত্বককে নরম ও হাইড্রেটেড করে তুলবে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন: ত্বকে জলের ক্ষয় কমাতে আক্রান্ত স্থানে পেট্রোলিয়াম জেলির একটি পুরু স্তর লাগান।

ফাটল হিল আছে
Image by Steve Buissinne from Pixabay

কলা + অ্যাভোকাডো
কলায় এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ফাটা হিলকে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। অ্যাভোকাডোতে ভিটামিন এ, ই এবং ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা ক্ষত নিরাময় এবং ফাটা গোড়ালি নিরাময় করে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন: অর্ধেক অ্যাভোকাডো এবং 1টি পাকা কলা ব্লেন্ড করুন। এটি একটি ঘন সামঞ্জস্য আনুন এবং আপনার হিল এবং পায়ে পেস্ট প্রয়োগ করুন। 15-20 মিনিটের জন্য রেখে দিন এবং হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

টিপ: আপনার কাছে এই ঘরোয়া প্রতিকারগুলি ব্যবহার করার সময় না থাকলে, একটি ভাল ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম নিন এবং প্রতি রাতে আপনার হিলগুলিতে উদারভাবে এটি লাগান। এটি একটি পার্থক্য করতে এবং আপনাকে নরম এবং কোমল পা দিতে সাহায্য করতে পারে।

যদিও এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ফাটা হিলের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে, তবে প্রয়োগ করার আগে আপনাকে অবশ্যই একটি প্যাচ পরীক্ষা করতে হবে।

ফাটল হিল জন্য দ্রুত ফিক্স

কুশ্রী, বেদনাদায়ক ফাটল হিল সঙ্গে মোকাবিলা? যদি তাড়াতাড়ি চিকিত্সা না করা হয়, ফাটলগুলি কালশিটে পরিণত হতে পারে এবং রক্তপাত হতে পারে। এই গভীর ফাটলগুলি ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসকে শরীরে প্রবেশ করতে দেয়, যা সংক্রমণ এবং অসুস্থতার দিকে পরিচালিত করে।

সাধারণত, ফাটল হিল অপর্যাপ্ত আর্দ্রতার কারণে হয়, যা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে যেমন: শীতের শীতের আবহাওয়া, ডিহাইড্রেশন, ময়েশ্চারাইজেশনের অভাব, গরম জলে আপনার পা বেশিক্ষণ ভিজিয়ে রাখা, পা স্ক্রাব করা, দূষণের অতিরিক্ত এক্সপোজার। কিছু চিকিৎসা অবস্থা যেমন একজিমা, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড এবং সোরিয়াসিসের কারণেও পা শুষ্ক এবং ফাটা হতে পারে।

অক্লুসিভ ময়েশ্চারাইজার
আপনি ইমোলিয়েন্ট বা হিউমেক্ট্যান্ট ময়েশ্চারাইজার প্রয়োগ করার পরে, এটি কিছু সময়ের জন্য শোষণ করতে দিন। তারপর উপরে একটি অক্লুসিভ ময়েশ্চারাইজারের একটি পুরু স্তর প্রয়োগ করুন। এটি আর্দ্রতা আটকে রাখতে সাহায্য করবে। সমস্ত আবদ্ধ ময়েশ্চারাইজারগুলির মধ্যে পেট্রোলিয়াম জেলি হল সবচেয়ে কার্যকরী।

বিছানায় সুতির মোজা পরুন
পেট্রোলিয়াম জেলি লাগানোর পর, 100 শতাংশ সুতির মোজা পরে আপনার হিল ঢেকে রাখুন। এটি আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে, ত্বককে শ্বাস নিতে দেবে এবং বিছানার চাদরে দাগ পড়া রোধ করবে।

একটি pumice পাথর ব্যবহার করুন
ত্বক ময়শ্চারাইজ হয়ে গেলে, শক্ত ত্বক এবং কলাসের পুরুত্ব কমাতে গোড়ালিতে একটি পিউমিস পাথর আলতো করে ঘষুন। সতর্কতা: পিউমিস পাথরের অতিরিক্ত ব্যবহার ফাটা হিলকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদেরও পিউমিস স্টোন ব্যবহার করা উচিত নয়।

একটি তরল ব্যান্ডেজ দিয়ে ফাটা ত্বক ঢেকে দিন
একটি তরল, জেল বা স্প্রে ব্যান্ডেজ দিয়ে ফাটা ত্বক ঢেকে রাখলে একটি প্রতিরক্ষামূলক স্তর প্রদান করতে পারে, ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে, ক্ষতগুলিতে ময়লা এবং জীবাণু প্রবেশ করা রোধ করতে পারে এবং দ্রুত নিরাময় করতে পারে।

নারকেল তেল

নারকেল তেল
নারকেল তেল: শুষ্ক ত্বক, একজিমা এবং সোরিয়াসিসের কারণে সৃষ্ট হিল ফাটা হলে পা ভিজিয়ে রাখার পরে নারকেল তেল প্রয়োগ করে চিকিত্সা করা যেতে পারে কারণ এটি আপনার ত্বককে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। নারকেল তেলে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ফাটা হিলের কারণে রক্তপাত এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

Wednesday, October 26, 2022

শীতকালে অবশ্যই খাওয়ার মতন ফল ও সবজি

 


ছয় ঋতুর দেশ আমাদের এই দেশ। শীতকাল মানেই এক অন্য অনুভূতি। বছরের প্রায় সবসময় কম বেশি শাক-সবজি ও ফলমূল হয়ে থাকে। তবে ষড়ঋতুর আবর্তে বাংলাদেশে শীতকালই শাক-সবজি ও ফলমূলের জন্য উপযুক্ত সময়। বাহারি শাক-সবজিতে সমৃদ্ধ শীতকাল মাছে-ভাতে বাঙালি পরিচয়টিকে যেন আরও পাকাপাকি করে তোলে একটি পরিপূর্ণ আহারের মাধ্যমে। শীতকালে এসব মৌসুমি শাক-সবজি বা ফল গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই শরীরের চাহিদা মোতাবেক পুষ্টি উপাদান, বিশেষ করে ভিটামিন ও মিনারেলসের চাহিদা পূরণ সম্ভব। খাদ্যের উপাদানের মধ্যে ভিটামিন ও মিনারেলসের অন্যতম উৎস হল শাক-সবজি ও ফলমূল। মূলত ভিটামিন ও মিনারেলস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে এবং আমাদের শরীরকে খাদ্যের শর্করা, আমিষ ও চর্বির ব্যবহারে সাহায্য করে। অর্থাৎ আমাদের শরীর রক্ষায় শাক-সবজি ও ফলমূলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

জানাবো ৫টি শীতকালীন সবজির পুষ্টিগুণ ও তাদের উপকারিতা সম্পর্কে-


শিশুদের অপুষ্টি দূর করে মটরশুটি
মটরশুঁটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি; প্রতি ১০০ গ্রামে পাওয়া যায় ১২৫ কিলোক্যালরি। উদ্ভিজ আমিষের বড় ভাণ্ডার হল শিম। শিমে আমিষ ছাড়াও স্নেহ ও ফাইবারজাতীয় খাবার অংশ থাকে। শিমের আঁশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকাংশে দূর করে। রক্তে কোলেস্টরোলের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করে পাকস্থলী ও প্লিহার শক্তি বাড়ায়। লিউকোরিয়াসহ মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে, শিশুদের অপুষ্টি দূর করে এবং পুষ্টি প্রদান করে থাকে।


শীতকালীন বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে ফুলকপি
ফুলকপিতে আছে ভিটামিন এ, বি, ও সি। এছাড়াও আছে আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফার। গর্ভবতী মা, বাড়ন্ত শিশু এবং যারা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করে তাদের জন্য ফুলকপি বেশ উপকারী একটা সবজি। ফুলকপি পাকস্থলির ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শীতকালীন বিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর, কাশি, সর্দি প্রতিরোধ করে। ফুলকপিতে বিদ্যমান ‘সালফোরাফোন’ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই সবজিতে খুব ভালো পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যসহ পেটের নানা সমস্যা দূর করে। এই খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর।


দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে গাজর
গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও খাদ্যআঁশ সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি।তরকারি বা সালাদ হিসেবে এই সবজি খাওয়া যায়।গাজরের পুষ্টির উপাদান গুলি হলো — ক্যালোরি ৩০ গ্রাম, ডায়েটরি ফাইবার ২ গ্রাম, চিনি ৫ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৭ গ্রাম, সোডিয়াম ৬০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ২৫০মিলিগ্রাম। এছাড়াও ক্যালসিয়াম দৈনিক চাহিদার ২শতাংশ, আয়রন ২শতাংশ, ভিটামিন এ ১১০ শতাংশ, ভিটামিন সি ১০ শতাংশ ঘাটতি পূরণ করে। গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। গাজরে উপস্থিত ক্যারোটিনয়েড ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। গাজরের সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের মরা কোষ দূর হয় ও ত্বক উজ্জ্বল হয়।


ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগে কার্যকর টমেটো
টমেটো প্রচুর উপকারী একটি সবজি।এর প্রচুরঔষধই গুনও রয়েছে।এর পুষ্টি তালিকা এমন- প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটোতে আছে ০.৯ গ্রাম আমিষ, ৩.৬ গ্রাম শর্করা, ০.৮ মি. গ্রাম আঁশ, ০.২ মি. গ্রাম চর্বি, ২০ কিলোক্যালরি শক্তি, ৪৮ মি. গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২০ মি. গ্রাম ফসফরাস, ০.৬৪ মি. গ্রাম লৌহ, ৩৫১ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন ও ২৭ মি. গ্রাম ভিটামিন ‘সি’। টমেটোর লাইকোপেন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগে কার্যকর। নিয়মিত টমেটো খেলে পাকস্থলী ও অন্ত্র সুস্থ ও সবল থাকে। টমেটো মূত্রথলির অম্লতাকে নিরপেক্ষ রাখতে সাহায্য করে। ফলে মূত্রাশয়ের সংক্রমণ ও পাথর তৈরি হয় না।


কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ব্রোকলি
ব্রোকলি বা সবুজ ফুলকপি একটি কপি জাতীয় সবজি। শীতকালীন সবজির হিসেবে ব্রোকলি বর্তমানে আমাদের দেশে চাষ করা হচ্ছে। ব্রোকলিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। ব্রোকলি অত্যন্ত উপাদেয়, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি সবজি। এটি চোখের রোগ, রাতকানা, অস্থি বিকৃতি প্রভৃতির উপসর্গ দূর করে ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

Tuesday, October 25, 2022

Cold and Cough: সর্দি-কাশি কমাতে তুলসী চায়ে চুমুক দেন? কাদের জন্য এই চা ক্ষতিকর হতে পারে

 


 বাজারে নানা রকম ভেষজ চা পাওয়া যায়। অনেকেই তা খেতেও ভালবাসেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, বাজারের ভেষজ চায়ের বদলে বাড়িতেই অমন স্বাদের চা বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে। ভেষজ চায়ের মধ্যে অন্যতম তুলসী চা। সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা কমাতে তুলসী দারুণ কার্যকর। মধু ও তুলসী পাতা জ্বর, সর্দি-কাশির মহৌষধ বলা যেতে পারে। তবে এই চা বানানোর সঠিক পদ্ধতি না জানলে মুশকিলে পড়তে হতে পারে।

কী ভাবে বানাবেন তুলসী চা?

এক বাটি জলে এক মুঠো তুলসী পাতা ফুটতে দিন। টগবগ করে ফুটলে আঁচ কমিয়ে ১০ মিনিটে ফুটিয়ে নিন। এর পর এতে মেশান এক চামচ মধু আর দু’চামচ লেবুর রস। মধু শক্তি জোগায়, লেবুর ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজে লাগবে। আর তুলসীর প্রভাবে জ্বর, সর্দি-কাশির প্রকোপ কম থাকবে। নিয়মিত খেলে প্রদাহের প্রবণতা কমবে, বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

শুকনো কাশির প্রকোপ কমাতে চাইলে এতে ধনে ও আদা মিশিয়ে নিন। প্রদাহ কমবে।

তবে চিকিৎসকরা বলছেন, তুলসী চা সকলের জন্য উপকারী নয়। কারা খাবেন না এই চা?

১) অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নিয়মিত এই চা খাবেন না। কারণ, তুলসীতে আছে এস্ট্রাজল। তা জরায়ুর ক্ষতি করতে পারে।

২) ডায়াবিটিসের ওষুধ খেলে বা ইনস্যুলিন নিলে নিয়মিত খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে নেবেন। কারণ, তুলসী রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়।

৩) রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ খেলেও সাবধান। কারণ তুলসীও রক্ত পাতলা করে। দু’টি একসঙ্গে খেলে রক্ত অতিরিক্ত পাতলা হয়ে যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নিয়মিত অ্যাসিটামিনোফেন জাতীয় ব্যথার ওষুধ খেতে হয়, তাঁরা তুলসী খাওয়ার আগে দু’বার ভাববেন। কারণ, দুইয়ের মিলিত প্রভাবে লিভারের কিছু ক্ষতি হতে পারে।

 

 

Thursday, September 29, 2022

শীতকালে পা ফাটা ও তার প্রতিকার || শীতকালে পা ফাটার সমাধান

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়, ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। পায়ের ত্বকের নিচের স্তরে চিড় ধরে ও ফেটে যায়। এ কারণে ব্যথা করে, জ্বালা করে, হাঁটতে সমস্যা হয়। কখনো তাতে সংক্রমণও হতে পারে। কিছু রোগের কারণে পা ফাটার প্রবণতা বেশি দেখা দেয়। যেমন: অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, সোরিয়াসিস, একজিমা, ছত্রাক সংক্রমণ ইত্যাদি। স্থূল ব্যক্তিদেরও পা বেশি ফাটে। এ ছাড়া খুব ঠান্ডা শুষ্ক আবহাওয়া, খোলা জুতা বা স্যান্ডেল, জুতোর পেছন দিকে ঘর্ষণ, জুতা ঠিকমতো ফিট না করা ইত্যাদি এই সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

কী করবেন না

• অতিরিক্ত গরম জল ত্বক আরও শুষ্ক করে দেয়। স্বানে বা পা পরিষ্কার করতে হালকা কুসুম গরম জল ব্যবহার করুন। বেশি সময় ধরে পা জলে ডুবিয়ে রাখাও ভালো নয়। শীতকালে স্বান সারতেও খুব বেশি হলে ৫ থেকে ১০ মিনিট সময় নিন।

• অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার, অতিরিক্ত ঘষাঘষি ত্বকের শুষ্কতা বাড়িয়ে দেবে।

• খালি পায়ে হাঁটবেন না। ঠান্ডা বাতাসে বের হলে খোলা জুতা বা স্যান্ডেল না পরে এ সময় বন্ধ জুতো পরুন।

• পায়ের মরা চামড়া ওঠাতে নিজে নিজে কখনো ধারালো কিছু ব্যবহার করবেন না। ঝামা পাথর দিয়ে বেশি ঘষতে গেলে ত্বক কেটে যেতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীরা মৃত ত্বক ওঠাতে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

কী করবেন

• পায়ের আর্দ্রতা রক্ষা করতে ভালো ময়েশ্চারাইজার লাগান। পা পরিষ্কার করে তোয়ালে দিয়ে চেপে পানি মুছে তারপর ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন। পা ফাটারোধে উপকারী হলো পেট্রোলিয়াম জেলি, অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল ও গ্লিসারিন।

• রাতে ঘুমানোর সময় পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে সুতি মোজা পরে শুতে পারেন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা হবে।

• পা ফেটে রক্ত বের হলে বা সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই ভালো।



তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।
 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।